Connect with us

সাহিত্য

মো. সরওয়ার হক চৌধুরী’র এক গুচ্ছ কবিতা

১.

“সময়”
———
নিকষ অন্ধকারের সামনে
সূর্য্য দিয়েছে বুক পেতে,
কুয়াশা কেটে সূর্য্য দেখা যায়
বেঁচে থাকে ঘাত – প্রতিঘাতে |

শীতে ভিজে গেছে তাই
পাখির গান গাইতে বড়ই কষ্ট,
দুর্যোগেও সুর তোলে
হয় না পথভ্রষ্ট |

চাঁদ করেছে অভিমান
জ্যোৎস্না বিলাতে রয়েছে বিরত,
আকাশে তারাগুলো উঠবে জ্বলে
আলোকিত করবে অবিরত |

চোখের জল ছলছল
বৃষ্টিতে ভিজেছে মৃত্তিকা,
বৃষ্টির জল হৃদয়কে করে আন্দোলিত
পথ যতই হোক আঁকা বাঁকা |

আঁখিগুলো অসহায়ভাবে তাকিয়ে আছে
নিষ্ঠুর সময়ের দিকে,
হারিয়ে গেছে বিবেক
সময়ের রঙটা হয়েছে ফিকে |

সময়ের দেহটি আপাদমস্তক রক্তাক্ত
আগুনে পুড়ে ঘড়ির কাঁটাগুলো করছে আত্মচিৎকার,
এতোসব বীভৎস দৃশ্য
কবিতার পংক্তিমালা রক্তের মাঝে কাঁটছে সাঁতার |

অগ্রহায়ণের ভর দুপুরে রোদের জন্য অপেক্ষা
অন্ধকারে ঢেকে গেছে রোদ,
অন্ধকারের মাঝে জ্বলবে আলো
গড়ে উঠবে প্রতিরোধ |

রোদে আছে আলো, আছে উত্তাপ
খুলে দাও জানালা – কপাট,
গভীর রাতের পর
সূর্য্য ওঠা প্রভাত |

২.

“শিশিরের শব্দ”
———————-
শীতের বন্দিদশায় গাঁয়ের মানুষ
ঘন কুয়াশায় ঢাকা অগ্রহায়ন,
জীবন জীবিকার তাগিদে
কাজটা অতি প্রয়োজন |

শীতের সকালে প্রথম ভাবনা
কিভাবে করবে শীত নিবারণ,
সূর্যের অপেক্ষায় সারাটা দিন
সূর্যকে করবে বরণ |

সবুজ পাতাগুলোকে শিশির করেছে
রূপালি ঝলমলে,
নৃত্য করে ঘাসের উপর
শিশির টলটলে |

রাতে জ্যোৎস্না খেলা করে
ভেজা চোখের পাতায় ,
গাছগুলো নীরবে দাঁড়িয়ে থাকে
পরিপূর্ণ শূন্যতায় |

হাওয়ায় দোলে ফুল
হলুদ সরষে ক্ষেতে,
মনকে রাঙিয়ে নিতে
ইচ্ছে করে যেতে |

শিশু – কিশোরের কোলাহল
খেঁজুর গুড়ের পিঠা,
শীতের সকালে কি যে আনন্দ !
গরম ভাপা পিঠা |

নতুন ধানের মোটা চাল আর
আখের গুড়ের ক্ষীর,
খৈ, মুড়ি দিয়ে খেতে বড়ই মজা
আমাদের কৃষকরাই প্রকৃত বীর |

দু’চোখ দিয়ে গড়িয়ে পড়ে
ভালবাসার নোনা জল,
কুয়াশায় মেঠো পথ দিয়ে হেঁটে চলা
ইচ্ছে শক্তিটা প্রবল |

৩.

“পাখির কলরব”
———————-
নীল গগনে উড়ছে
অসংখ্য শীতের পাখি,
চারিদিক হয়েছে রঙিন
জুড়ায় আঁখি |

বৃক্ষ, খাল, বিল, নদী
কলকাকলিতে মুখরিত,
উৎফুল্ল হয় হৃদয়
আনন্দধারা অবিরত |

শান্তির বার্তা নিয়ে এসেছে
পাখির ঠোঁটে,
কিচিরমিচির করে কি যেন বলছে?
সাদা গোলাপ ফোটে |

মুক্তির বার্তা নিয়ে এসেছে
রঙিন ডানায়,
ছড়াবে শুভ্রতা
ভালবাসা দিয়ে রুখে দিবে অন্যায় |

পাখির সুরেলা কন্ঠ
গাইছে গান,
প্রকৃতির স্নিগ্ধতা
মানবতার আহবান |

কুয়াশায় ডানা ভিজেছে
তারপরও বিজয়ের আশ্বাস,
এর চেয়ে বেশি শীতে
যাদের বসবাস |

প্রকৃতির নিয়মে এসেছে
পথ হারিয়ে নয়,
বেঁচে থাকার লড়াই
তাই করে না ভয় |

Continue Reading

বাংলাদেশের খবর

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার: তিনজনের নাম বাদ দিয়ে নতুন তালিকা

পুরস্কারের ঘোষিত তালিকা থেকে তিনজনের নাম বাদ দিয়েছে বাংলা একাডেমি। তাঁরা হলেন মোহাম্মদ হাননান, ফারুক নওয়াজ ও সেলিম মোরশেদ। তাঁদের নাম বাদ দেওয়ার বিষয়টি বুধবার বাংলা একাডেমির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে জানা গেছে।

‘বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪’ ঘোষণা করা হয় ২৩ জানুয়ারি। এরপর ২৫ জানুয়ারি তালিকাটি স্থগিত করা হয়। তখন বাংলা একাডেমির পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, নাম থাকা কারও কারও বিষয়ে ‘কিছু অভিযোগ আসায়’ তালিকাটি স্থগিত করা হলো।
বাংলা একাডেমি ওই দিন তিন কার্যদিবসের মধ্যে পুনর্বিবেচনার পর পুরস্কারের তালিকাটি পুনঃপ্রকাশ করার সিদ্ধান্তের কথা জানায়।

মঙ্গলবার ছিল তিন কার্যদিবসের শেষ দিন। সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পর বুধবার রাতে মোহাম্মদ হাননান, ফারুক নওয়াজ ও সেলিম মোরশেদের নাম বাদ দেওয়ার কথা জানানো হয়। মোহাম্মদ হাননানকে মুক্তিযুদ্ধ ও ফারুক নওয়াজকে শিশুসাহিত্যে পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছিল।

আর কথাসাহিত্যিক সেলিম মোরশেদ পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের তালিকা স্থগিতের পর ২৭ জানুয়ারি বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা দেন। তাঁকে কথাসাহিত্যে পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছিল।

বুধবারের সভায় স্থগিতকৃত পুরস্কৃত লেখক তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। সেই অনুযায়ী বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন মাসুদ খান (কবিতা), শুভাশিস সিনহা (নাটক ও নাট্যসাহিত্য), সলিমুল্লাহ খান (প্রবন্ধ/গদ্য), জি এইচ হাবীব (অনুবাদ), মুহম্মদ শাহজাহান মিয়া (গবেষণা), রেজাউর রহমান (বিজ্ঞান), সৈয়দ জামিল আহমেদ (ফোকলোর)।

পুরস্কার ঘোষণা ও স্থগিতের পর বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক হয়। ২৫ জানুয়ারি ফেসবুকে এক পোস্টে সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী বলেন, বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার কমিটির সভায় উদ্ভূত সামাজিক-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এবং পুরস্কার-তালিকাভুক্ত কারও কারও সম্পর্কে কিছু অভিযোগ উত্থাপিত হওয়ায় পূর্বঘোষিত পুরস্কার পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন সম্পর্কে আলোচনা হয়। উত্থাপিত অভিযোগ সম্পর্কে অনুসন্ধানেরও সিদ্ধান্ত হয়। এমতাবস্থায় বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারের তালিকা স্থগিত করা হলো।

ফারুকী বলেন, ‘এখানে আমি একটু যুক্ত করতে চাই। যে আজব নীতিমালা এ ধরনের উদ্ভট এবং কোটারি পুরস্কারের সুযোগ করে দেয়, সেগুলা দ্রুত রিভিউ (পর্যালোচনা) করা উচিত।’

২৬ জানুয়ারি সচিবালয়ে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মোহাম্মদ আজম বলেন, তালিকায় নাম থাকা কারও বিষয়ে গণহত্যা ও জনবিরোধী রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেলে পুরস্কার বাতিল করা হবে।

বুধবার বাংলা একাডেমির পুরস্কার–সংক্রান্ত দায়িত্ব থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেন বাংলা একাডেমির পুরস্কারের জন্য গঠিত বোর্ডের সদস্য মোরশেদ শফিউল হাসান। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘পুরস্কারের ঘোষণা স্থগিত করে পুনর্বিবেচনা বিষয়টি এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যাঁরা যুক্ত, তাঁদের জন্য বিব্রতকর। এটা পদত্যাগের প্রসঙ্গ নয়। পুনর্বিবেচনায় অংশগ্রহণ করব না, এটা জানিয়েছি।’
মোরশেদ শফিউল হাসান বাংলা একাডেমির ফেলো। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুরস্কারসংক্রান্ত দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়ার বিষয়ে একটি পোস্টও দিয়েছেন।

বাংলা একাডেমির নির্বাহী কমিটির পদ থেকে ২৯ জানুয়ারি পদত্যাগ করেন কবি সাজ্জাদ শরিফ। তিনি বাংলা একাডেমির মহাপরিচালককে চিঠি দিয়ে পদত্যাগের কথা জানান।

সাজ্জাদ শরিফ এই প্রতিবেদককে বলেন, ‘প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলা একাডেমি ও একাডেমির পদগুলোর যে অমর্যাদা ঘটেছে, সে অবস্থায় দায়িত্ব পালন করে যাওয়া নৈতিকভাবে আমার পক্ষে সম্ভব নয়।’

Continue Reading

সাহিত্য

মো. সরওয়ার হক চৌধুরী’র এক গুচ্ছ কবিতা

১.

“জীবন মানে অন্য কিছু”
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
জীবন মানে অন্য কিছু
সবুজ শ্যামল বাংলার প্রকৃতি,
শ্রাবণ মেঘের আকাশ
হৃদয় জুড়ে সেই স্মৃতি।

জীবন মানে অন্য কিছু
সারাদিন মুষলধারে বৃষ্টি,
ভিজে যাওয়া চড়ুই পাখি,
ব্যাকুল করে মায়াবী দৃষ্টি।

জীবন মানে অন্য কিছু
সুবাস ছড়ায় ফাগুণ,
আগুনের রঙে ফুল ফোটে
গাছে গাছে আগুন |

জীবন মানে অন্য কিছু
ক্ষেতে ফসলের হাসি,
মাঝির কন্ঠে ভেসে আসে
জন্মভূমিকে ভালবাসি |

জীবন মানে অন্য কিছু
বন্ধুদের চায়ের আড্ডা এখন নিশ্চুপ,
আনন্দে উদ্বেলিত নিশ্চিত জীবন
হাসিমাখা মুখগুলো মনে পড়ে খুব |

জীবন মানে অন্য কিছু
আম কুড়ানোর স্মৃতি,
নদীতে মাছ ধরার দৃশ্য
জ্যোৎস্না রাতে কবিতা আবৃত্তি |

জীবন মানে অন্য কিছু
মুগ্ধতা ছড়ায় বৈশাখী মেলা,
হাজার মানুষের ভিড়ে
কেটে যায় বেলা |

জীবন মানে অন্য কিছু
স্বামীহারা অসহায় বোনের চোখের জল,
নবজাতকের কান্না
এগিয়ে যাওয়া মনোবল |

জীবন মানে অন্য কিছু
তৃষ্ণার্ত হৃদয়ের চিঠিতে ভরা খামে,
কষ্টে কষ্টে জীবন শেষ
সত্যের জয় হয় জীবনের দামে |

জীবন মানে অন্য কিছু
একাত্তরের বন্ধনে,
রক্তে প্রবাহিত দেশপ্রেম
হৃদয় স্পন্দনে |

জীবন মানে অন্য কিছু
মুখে ভোরের সূর্যের হাসি,
চোখে দুপুরের রোদের তেজ
মগজ জুড়ে মাতৃভূমিকে ভালবাসি |

জীবন মানে অন্য কিছু
সমুদ্রের গর্জন,
প্রিয় মাতৃভূমির জন্য
জীবন বিসর্জন |

জীবন মানে অন্য কিছু
সত্য ফিরে আসে শ্রাবণে,
বেজে ওঠে ভালবাসার সুর
অসংখ্য মানুষের ক্রন্দনে |

২.

“শেষের পরেও শেষ আছে”
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
মিথ্যা সত্যের সাথে করে অহংকার
সত্য ঢাকতে মিথ্যার নিকষ অন্ধকার,
শেকল বাঁধা হাতে
অসংখ্য মানুষের চিৎকার |

শেষের পরেও শেষ আছে
ছুড়ে ফেলি অন্ধকার,
সঙ্কটের আঁধার কেটে
সত্যকে করি উদ্ধার |

শহর হতে গ্রামে
রাত – দিন একাকার,
বিজয়ের আলো নিয়ে সত্য
ফিরে আসে বারবার |

বিদঘুটে অপকৌশল
মিথ্যা দিয়ে চরিত্রহনন,
তবুও সত্য উজ্জ্বল
সবার মনে বিচরণ |

মিথ্যার দংশনে
সত্যের দীর্ঘশ্বাস,
পোড়া মাটির গন্ধে
মিথ্যাকে অবিশ্বাস |

বেঁচে আছে সত্য
নিপীড়িত মজলুমের মনে,
প্রিয় জন্মভূমির
লুটিয়ে পড়ি চরণে |

পুড়ছে এক ঝুড়ি শিউলি ফুল
উত্তাপ ছড়ায় আগুন,
চোখের জলে প্রবাহিত বাংলাদেশ
দুলছে ধূসর ফাগুন |

৩.

“সভ্যতা”
°°°°°°°°°
সভ্যতার বড়াই
অসভ্যতার মাঝে,
সন্ত্রাসী লুঠেরা
সভ্য সাজে |

চারিদিকে অসভ্যতা
ব্যথিত হৃদয়,
মাথায় মেরে চটি
দেখাতে চায় ভয় |

মানুষকে ভালবাসতে
থাকতে হয় হিম্মত,
নিপীড়িত মজলুম
সদা প্রস্তুত |

গড়ে তুলতে হবে
সুস্থতার বাতাবরণ,
ভাঙতে শেকল
দিকে দিকে আজ গণজারণ |

জ্যোৎস্নার আলো ছুঁতে
ঘুমহীন রাত,
অদৃশ্য দেয়াল
শৃঙ্খলিত দু’হাত |

ধ্বংসের আওয়াজ
তবু বন্ধ দু’কান,
অন্যায়ের কাছে করোনা মাথা নত
যদি হও পূন্যবান |

বাতাস মোদের প্রাণ
শুধুই বেদনার ঘ্রান,
আগুনে পুড়ছে সভ্যতা
সবটাই হয়েছে ম্লান |

৪.

“কুড়ি থেকে ফোটেনি ফুল”
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°

চাকচিক্যময় শহরে
যতই প্রভাব থাকুক নামে,
সূর্যাস্তের পর
যেতে হবে গ্রামে |

মায়াময় পৃথিবী ছাড়তে
যখন আসবে ডাক,
থাকবে না কোনও উপায়
যতই ছাড়ুক হাক |

খুবই সাময়িক
এই পৃথিবীতে বসবাস,
জীবনকে ভালবেসে
ছাড়তে হবে দীর্ঘশ্বাস |

চারিদিকে শুধুই হাহাকার
হিংসা বিদ্বেষ,
থাকবে এক ঝুড়ি অনুশোচনা
জীবনের সময়টা যখন হবে শেষ |

কুড়ি থেকে ফোটেনি ফুল
একরাশ বঞ্চনা,
ভেজা নয়নে দেখেছি ধরণী
কেটেছে যত যাতনা |

হয়তোবা কোনও এক মাঝরাতে
সুখ হয়ে আসবে দুঃখ বেদনা,
দু’চোখের আড়ালে লুকায়িত হাসি
বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা |

সবার জীবন শেষে
আকাশ হবে ঠিকানা,
শোক হয়ে যায় চোখের কাজল
তারপরও কেন অসত্যের বন্দনা?

সাংবাদিক ও সাহিত্যিক মোঃ সরওয়ার হক চৌধুরী’র এক গুচ্ছ কবিতা ………

Continue Reading

বাংলাদেশের খবর

অমর একুশে বইমেলা – ২০২৫ এর প্রস্তুতি

অমর একুশে বইমেলা – ২০২৫ এর জন্য বাংলা একাডেমি চত্বর ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্টল ও প্যাভিলিয়ন নির্মানের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানগুলো বইমেলাকে ঘিরে ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করছেন। এবারের বইমেলা প্রতিদিন বিকেলে ৩ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। ছুটির দিন সকাল ১১ টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। শুক্রবার দুপুর ১ টা থেকে বিকেল ৩ টা ও শনিবার দুপুর ১ টা থেকে দুপুর ১ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত বিরতি থাকবে।

এছাড়া ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে সকল ৭ টা থেকে রাট ৯ টা পর্যন্ত খোলা থাকবে | মেলায় লেখকদের জন্য থাকছে ‘লেখক বলছি মঞ্চ’ এবং নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করার জন্য থাকছে ‘নতুন মোড়ক উন্মোচন মঞ্চ’। বইমেলা চত্বরে থাকবে খাবারের জন্য বাংলা একাডেমির নিজস্ব ক্যান্টিন। সরেজমিনে মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা গেছে বরাদ্দপ্রাপ্ত খাবারের স্টলগুলোর নির্মান কাজও দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। এবারের বইমেলায় ১ ইউনিটের জন্য স্টল ভাড়া ১৫ হাজার ১৮০ টাকা , ২ ইউনিটের জন্য ৩১ হাজার ৬২৫ টাকা , তিন ইউনিটের জন্য ৫৯ হাজার ৮০০ টাকা এবং চার ইউনিটের জন্য ৮৩ হাজার ৪৯০ টাকা ধরা হয়েছে। ৪০০ বর্গফুট প্যাভিলিয়ান ভাড়া ১ লক্ষ ৫১ হাজার ৮০০ টাকা। ৫৭৬ বর্গফুট প্যাভিলিয়নের জন্য ১ লক্ষ ৮৬ হাজার ৩০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

Continue Reading
Advertisement Enter ad code here

Trending

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. আব্দুর রহিম
3450 Danforth Avenue, M1L 1E1 Toronto ON M4C 1M6
Mobile : +1(416) 699 0900, +1(514) 992-2805
© 2024 Amader Kal. All rights reserved.