নির্বাচিত
মেট্রোরেলে টিকিট সংকট, ভোগান্তি
বেশ কিছুদিন ধরেই সংকট রয়েছে মেট্রোরেলের একক যাত্রার টিকিটের। পর্যাপ্ত টিকিট না থাকায় স্টেশনে স্বয়ংক্রিয় টিকিট বিক্রির মেশিনগুলো বন্ধও রাখা হচ্ছে। আবার যেসব মেশিন চালু থাকে তাতেও মাঝেমধ্যেই যান্ত্রিক ত্রুটি হচ্ছে। এতে মেট্রোরেল স্টেশনগুলোতে সৃষ্টি হচ্ছে যাত্রীদের দীর্ঘলাইন ও বিশৃঙ্খলা। আর ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে মেট্রোযাত্রীদের। যাত্রীরা জানিয়েছেন, লাইনে দাঁড়িয়ে একক যাত্রার টিকিট সংগ্রহ করতে ৩০ মিনিট থেকে দেড় ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লেগে যাচ্ছে। এজন্য অনেকে আবার মেট্রোরেল থেকে ফিরে যাচ্ছেন বাসের পথে।
গতকাল সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সরজমিন মেট্রোরেলের মতিঝিল, সচিবালয় ও কাওরান বাজারসহ বেশ কয়েকটি স্টেশন ঘুরে যাত্রীদের অনেক ভিড় দেখা যায়। টিকিট বিক্রয় মেশিনের একেকটি লাইনে ৫০ থেকে শতাধিক যাত্রী দাঁড়িয়েছিল। একক যাত্রার টিকিট স্বল্পতার কারণে কিছু টিকিট বিক্রয় মেশিনও বন্ধ রাখা হয়। সচল থাকা মেশিনেও মাঝেমধ্যে যান্ত্রিক ত্রুটি সৃষ্টি হয়ে টিকিট বিক্রি বন্ধ হয়ে যায়। এতে টিকিটপ্রত্যাশীদের লাইন আরও দীর্ঘ হতে থাকে। স্টেশনে যাত্রীদের মধ্যে বাক-বিতণ্ডাও দেখা যায় এসব কারণে। মেট্রোরেলে দিনে গড়ে প্রায় তিন লাখের অধিক যাত্রী যাতায়াত করেন। এদের মধ্যে প্রায় অর্ধেক যাত্রী একক যাত্রার টিকিট ব্যবহার করেন। বাকি যাত্রীরা নিজস্ব এমআরটি কার্ড ব্যবহার করে যাতায়াত করেন। এ ছাড়া মতিঝিল স্টেশনে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে প্ল্যাটফরমে প্রবেশের দু-একটি মেশিনও বন্ধ দেখা গেছে। এতে সব ধরনের যাত্রীদের প্ল্যাটফরমে প্রবেশে দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পাঞ্চ করে ঢোকার গেট কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ থাকতে পারে।
মেট্রোরেল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এককযাত্রার টিকিট সংকটের কারণে নতুন যাত্রীদের ভোগান্তি হচ্ছে। তবে এমআরটি ও র্যাপিড পাশের যাত্রীদের ক্ষেত্রে লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে না। একক যাত্রার টিকিট সরবরাহ হলে বা কিউআর সিস্টেম চালু হলে এই ভোগান্তি দূর হয়ে যাবে। মতিঝিল থেকে শেওড়াপাড়ার যাত্রী জলিল সরকার। দীর্ঘসময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে উষ্মা প্রকাশ করে তিনি বলেন, এক ঘণ্টা ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। এখনো লাইন শেষ হচ্ছে না। দ্রুত যাওয়ার জন্য মেট্রোরেলে এসেছিলাম। অথচ স্টেশনেই সময় নষ্ট হচ্ছে। লিটন সরকার নামের আরেক যাত্রী বলেন, সব মেশিন চালু না। যেগুলো চালু তাও মাঝেমধ্যে হ্যাং হয়ে যায়। টিকিট দেয়া বন্ধ হয়ে যায়। মো. খোকন সচিবালয় স্টেশন থেকে উত্তরা উত্তর স্টেশনে যাবে। এজন্য একঘণ্টা ধরে টিকিটের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। খোকন বলেন, টিকিটের স্বল্পতা আছে। তাই দেরি হচ্ছে। তিনটা টিকিট বিক্রয় মেশিনের মধ্যে একটা বন্ধ। আরেকটা একটু আগে টিকিট শেষ হয়েছে। এখন লাইন আর আগাচ্ছে না। গত কয়েকদিন ধরেই টিকিট সংকটে এমন ভোগান্তি হচ্ছে যাত্রীদের। এমনকি গত শুক্রবার ছুটির দিনেও দীর্ঘ লাইন ছিল স্টেশনগুলোতে। এসব সমস্যা সমাধানে নতুন টিকিট কার্ড আনাসহ আলাদাভাবে কিউআর সিস্টেম চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মেট্রোরেল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)। সম্প্রতি ডিএমটিসিএল জানায়, প্রায় ২ লাখ একক যাত্রার টিকিট যাত্রীরা সঙ্গে করে নিয়ে গেছে। কিছু কার্ড নষ্ট হয়ে গেছে। বর্তমানে মেট্রোরেলে ন্যূনতম ৪০ থেকে ৫০ হাজার টিকিট প্রয়োজন। সেখানে বর্তমানে মাত্র ৩০ হাজার টিকিট রয়েছে।
একক যাত্রার টিকিটের স্বল্পতার কারণে গত শুক্রবার রাতে ডিএমটিসিএলের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দুঃখ প্রকাশ করে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ। জানানো হয়, সিঙ্গেল জার্নি টিকিটের স্বল্পতার বিষয়টি দ্রুতই সমাধান করা হচ্ছে। হাতে যথেষ্ট সময় নিয়ে স্টেশনে আসার জন্য যাত্রীদের বিনীত অনুরোধ জানানো হয়। এ ছাড়া মেট্রোরেলে ব্যবহারের জন্য এমআরটি পাসের পরিবর্তে র্যাপিড পাস কিনতে অনুরোধও করে ডিএমটিসিএল। একইসঙ্গে আগে যাত্রীদের কেনা এমআরটি পাসগুলো ব্যবহার করা যাবে বলেও জানায় প্রতিষ্ঠানটি। সার্বিক বিষয়ে ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ গতকাল বিকালে বলেন, টিকিটের সংকট রয়েছে। তবে এরজন্য আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি। আশাকরি রোববার থেকে কোনো সমস্যা থাকবে না। কিইউআর কোডের টিকিটের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। চাহিদা অনুযায়ী এটা সরবারহ করা যাবে। আমাদের র্যাপিড পাস পুরোপুরি বিক্রি শুরু হয়েছে। এমআরটি পাসের পরিবর্তে সবাই র্যাপিড পাস কিনতে পারবে। নতুন করে আর এমআরটি পাস ক্রয় করবো না আমরা। র্যাপিড পাসই এমআরটি পাসের কাজ করবে।
নির্বাচিত
তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া আসনে ধানের শীষের প্রার্থী রেজাউল করিম
বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া বগুড়া-৬ (বগুড়া পৌরসভার ২১টি ওয়ার্ড ও সদর উপজেলা) আসনে উপনির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম (বাদশা)।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত দলীয় মনোনয়নের চিঠি আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দলের চেয়ারম্যানের গুলশান কার্যালয় থেকে রেজাউল করিমের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এ সময় বগুড়া জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এ কে এম মাহবুবর রহমান, জেলা বিএনপির সহসভাপতি আবদুল বাছেদ এবং জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
বগুড়া জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোশারফ হোসেন বলেন, ‘দলের চেয়ারম্যানের গুলশান কার্যালয়ে বগুড়া-৬ উপনির্বাচনের দলীয় মনোনয়নপত্র আজ সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে রেজাউল করিমের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেওয়া হয়েছে।’
গত মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৯ এপ্রিল; সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। মনোয়নপত্র দাখিলের তারিখ ২ মার্চ, ৫ মার্চ মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই। ৬ মার্চ থেকে শুরু করে আপিল চলবে ১০ মার্চ পর্যন্ত। আপিল নিষ্পত্তি করা হবে ১১ মার্চ, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের তারিখ ১৪ মার্চ ও প্রতীক বরাদ্দ ১৫ মার্চ।
১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারেক রহমান ঢাকা-১৭ এবং বগুড়া-৬ এই দুটি আসনে বিজয়ী হন। শপথ গ্রহণের আগের দিন তিনি বগুড়া–৬ আসন ছেড়ে দেন।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৯১ থেকে বিএনপি বগুড়া-৬ আসনে জয় পেয়েছে। এর মধ্যে ১৯৯৬, ২০০১ এবং ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। ২০১৮ সালে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ আসনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন।
নির্বাচিত
জামায়াত জাতীয় সরকারে অংশ নেবে না, শক্তিশালী বিরোধী দল হবে: তাহের
জামায়াতে ইসলামী কোনো জাতীয় সরকারে অংশ নেবে না, বরং শক্তিশালী বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করবে বলে জানিয়েছেন দলটির নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি বলেন, ‘আগামী দিনগুলোতে আমরা রাষ্ট্র পরিচালনায় সরকার ও বিরোধী দল সমন্বিতভাবেই দেশের জন্য কল্যাণমূলক কাজ করতে পারব বলে আশা করছি।’
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বসুন্ধরায় জামায়াত আমিরের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
মোহাম্মদ তাহের বলেন, ‘নির্বাচন-পরবর্তীতে সরকারের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী তারেক সাহেব সম্ভাব্য প্রধান বিরোধী দলের প্রধান জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে আসছিলেন। একটা কার্টেসি ভিজিট। এটাকে আমরা ওয়েলকাম করি। আমি মনে করি, এই ধরনের নিউ কালচার নিজেদের ভেতরে থাকাটা একটা গুণগত পরিবর্তন, একটি ভালো সূচনা।’
তাহের বলেন, ‘অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আলোচনা হয়েছে। আমরা দীর্ঘদিন বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী একসঙ্গে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। সরকারও গঠন করেছি। আমরা ফ্যাসিবাদের পতন-পরবর্তীতে দুটি দল এবার আলাদাভাবে নির্বাচন করেছি।’
জামায়াতের এ নেতা বলেন, ‘আগামী দিনগুলোতে আমরা রাষ্ট্র পরিচালনায় সরকার ও বিরোধী দল সমন্বিতভাবেই দেশের জন্য কল্যাণমূলক কাজ করতে পারব বলে আশা করছি। আমরা এ ব্যাপারে একমত হয়েছি যে, সকলে মিলে একসঙ্গেই একটা কনস্ট্রাকটিভ ফিউচার আমরা গ্রহণ করতে পারব। একটি নতুন বাংলাদেশ আমরা গঠন করতে পারব। নিজেদের ভেতরে মৌলিক কোনো ঝামেলা হলে আলোচনার ভিত্তিতে যাতে পজিটিভ একটা সমাধান আসতে পারে, সেসব বিষয়ে আমরা আলোচনা করেছি।’
তাহের বলেন, জামায়াতে ইসলামী কোনো জাতীয় সরকারে অংশগ্রহণ করবে না। জামায়াতে ইসলামী এখানে কনস্ট্রাকটিভ শক্তিশালী বিরোধী দল হিসেবে কাজ করবে।
তাহের আরও বলেন, ‘বৈঠকে জামায়াত আমির কয়েকটি প্রায়োরিটি বিষয়ে জোর দিয়ে কথা বলেছেন। প্রথম কথা হচ্ছে, ল অ্যান্ড অর্ডার সিচুয়েশন, মানুষের সিকিউরিটি ইস্যুটা হচ্ছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে যেন সরকার অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে। এরপরে ইকোনমির ব্যাপারে আমরা কথা বলেছি এবং বিশেষ করে জনগণের যে মৌলিক প্রয়োজনগুলো আছে, খাদ্য, বাসস্থান, শিক্ষা এসব বিবেকীয় অগ্রাধিকার পদ্ধতিতে যেন সরকার কাজ করে, সে ব্যাপারে আমরা দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি।’
জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, ‘ইটস আ বিগিনিং। আমি মনে করি যে, একটা মৌলিক কোয়ালিটিটিভ চেঞ্জ যাতে আমরা এ দেশে পেতে পারি, সে বিষয়েও আমরা দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। পজিটিভ যেকোনো বিষয় আছে, আমরা বলেছি, আমরা কো-অপারেট করব এবং জনগণের স্বার্থের বিরুদ্ধে এবং জনগণের কোনো কল্যাণের বিপরীতে যদি সে রকম কোনো ভূমিকা থাকে, আমরা অবশ্যই সে ব্যাপারে প্রতিবাদ এবং ভূমিকা নেওয়ার জন্য প্রস্তুত আছি।’
এর আগে সন্ধ্যায় জামায়াত আমিরের সঙ্গে তাঁর বাসায় সাক্ষাৎ করেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বাসায় বিএনপি চেয়ারম্যানের হাতে ফুলের তোড়া তুলে দিয়ে তাঁকে অভ্যর্থনা জানান শফিকুর রহমান।
নির্বাচিত
ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে সাধারণ মানুষের যাওয়া কি অপরাধ?
ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে সাধারণ মানুষের যাওয়া কি অপরাধ? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আ. ক. ম. জামাল উদ্দিন সহ ৮ জনকে পুলিশ আটক করেছেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করার জন্য। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকাল পৌনে পাঁচটার সময় তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
আটককৃত অন্যদের নাম এখনো জানা যায়নি। আটককৃতদের মধ্যে একজন নারী রয়েছেন। পুলিশ এখন পর্যন্ত আটকের ব্যাপারে বিস্তারিত জানাননি। আজ দুপুরে অধ্যাপক জামাল উদ্দিন তার ফেসবুকে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভগ্ন বাসভবনে গমন করে অশ্রুপাত ও শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন বলে উল্লেখ করেন এবং সেখানে সবাইকে যোগদানের অনুরোধ করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, রোবরার বিকেল পৌনে পাঁচটায় তারা সেখানে জড়ো হলে পুলিশ তাদের হেফাজতে নেন।
রমনা বিভাগের ধানমন্ডি জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) শাহ মোস্তফা তারিকুজ্জামান বলেন, সেখানে কিছু লোকজন তাদের ঘিরে ধরে। পরে আমরা তাদের থানায় নিয়ে আসি। কিছুক্ষণ পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
-
কানাডার খবর2 days agoআসন্ন উপনির্বাচনে এমপিপি প্রার্থী আহসানুল হাফিজ এর প্রার্থিতা ঘোষণা
-
বাংলাদেশের খবর4 days agoসেনাবাহিনীতে রদবদল: নতুন কিউএমজি শাহীনুল, এনডিসিতে ফয়জুর
-
আন্তর্জাতিক12 months ago
ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি : ন্যাটো সদস্যরা যথেষ্ট অর্থ না দিলে সুরক্ষা দেবেন না ট্রাম্প
-
নির্বাচিত2 weeks ago
ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে সাধারণ মানুষের যাওয়া কি অপরাধ?
-
নির্বাচিত4 days agoতারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া আসনে ধানের শীষের প্রার্থী রেজাউল করিম
-
টরন্টোর খবর1 week agoটরন্টোতে স্থায়ী শহীদ মিনার স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ
-
বাংলাদেশের খবর3 weeks ago
সবার সহযোগিতা না পেলে সুন্দর নির্বাচন উপহার দিতে পারতাম না: সিইসি
-
অর্থনীতি1 year ago
ফার্মাকেয়ার চুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু করার কথা বললেন ট্রুডো
