নির্বাচিত
সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিল বিষয়ে আওয়ামী লীগের উদ্বেগ
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অবৈধ ও অসাংবিধানিকভাবে বাতিলের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করছে। আওয়ামীলীগ মনে করে, পঞ্চম সংশোধনী বাতিলের ফলে দেশে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা ও এর ধারাবাহিকতা, সাংবিধানিক শাসন ও সংবিধানের প্রাধান্য এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা বাধাগ্রস্ত হবে।
আওয়ামীলীগ মনে করে, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক শাসন ব্যবস্থাকে টেকসই ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়ার লক্ষ্যে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আনা হয়েছিল। মূলত দেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতেই এই সংশোধনী আনা হয়েছিল। সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭ ও ৪৪ এর বিধান অনুযায়ী সংবিধানের অভিভাবক হিসেবে সুপ্রিম কোর্ট এই রায় দিয়েছিল। এদেশে গণতন্ত্রের বিপরীতে অসাংবিধানিক ও অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকে বৈধতা দিয়ে জারি করা সংবিধানের পঞ্চম ও সপ্তম সংশোধনীকে অসাংবিধানিক, বেআইনি, অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। এ ছাড়া, দেশে গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা এবং অনির্বাচিত ও অসাংবিধানিক শক্তির ক্ষমতা দখলের সুযোগ থাকার কারণে দেশের সর্বোচ্চ আদালত সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী অসাংবিধানিক ও বাতিল ঘোষণা করে।
দেশের সর্বোচ্চ আদালত সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক বিষয় থেকে উদ্ভূত মামলার পরিপ্রেক্ষিতে এই রায়গুলো প্রদান করে। যেমন- পুরান ঢাকার মুন সিনেমা হলের মালিকানা সংক্রান্ত মামলার প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্ট অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী জেনারেল জিয়ার শাসনামলকে অসংবিধানিক, অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করেছিল।
জেনারেল এরশাদের সময় সামরিক আদালতে সাজাপ্রাপ্ত চট্টগ্রামের সিদ্দিক আহমেদের এক রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে সর্বোচ্চ আদালত সপ্তম সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করেছিল। এ সকল মামলার পেছনে কোন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল না। কেবলমাত্র সাংবিধানিক বিধানের আলোকেই সর্বোচ্চ আদালত ঐ সংশোধনীগুলো বাতিল করে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকে অসাংবিধানিক ও বাতিল ঘোষণা করেছিল।
সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে সংসদ একটি সর্বদলীয় সংশোধনী কমিটি গঠন করেছিল। এই কমিটিকে মতামত জানানোর জন্য সকল দলের রাজনৈতিক নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। পাশাপাশি সংবিধান বিশেষজ্ঞ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদসহ সমাজের নানা শ্রেণী-পেশার মানুষকে সংবিধান সংশোধন বিষয়ে আলোচনার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তাদের সকলের মতামত গ্রহণ করা হয়েছিল। সংসদীয় কমিটি সকলের মতামত শোনার পর সংসদে তাদের সুপারিশ পেশ করেন। সে আলোকেই পঞ্চদশ সংশোধনী সংসদে গৃহীত হয়।
আমরা মনে করি, দেশে বর্তমানে অসাংবিধানিক ও অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী যে অপশক্তি ইতোমধ্যে বিচার বিভাগসহ রাষ্ট্রের সকল প্রতিষ্ঠান ধ্বংসযজ্ঞে নেমেছে, তারই ধারাবাহিকতায় গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থাকে অবরুদ্ধ করার অশুভ উদ্দেশ্যে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে বলপূর্বক এই পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিল করানো হয়েছে। দেশের সর্বোচ্চ আদালত আপিল বিভাগে একই বিষয়ে রিভিউ মামলা চলমান থাকায় সেটি নিষ্পত্তির পূর্বে হাইকোর্টে এই মামলা চলতে পারে না। এটি অসাংবিধানিক।
আমরা মনে করি, অতীতের অসাংবিধানিক ও অবৈধ ক্ষমতা দখলকারীদের নতুনভাবে বৈধতা দিয়ে গণতন্ত্র বিরোধী শক্তি বাংলাদেশে অসাংবিধানিক ও অবৈধ ক্ষমতা দখলকারীদের শাসনকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চায়।
আমরা মনে করি, বিশ্বের গণতান্ত্রিক দেশসমূহের সাংবিধানিক মূল্যবোধের সাথে সামঞ্জস্য রেখে এদেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট পঞ্চম ও সপ্তম সংশোধনী বাতিল করে ঐতিহাসিক রায় দিয়েছে। এই রায়গুলোর মূলনীতিই হচ্ছে কোন অনির্বাচিত গোষ্ঠী সংবিধান বহির্ভূতভাবে ক্ষমতা দখল করতে পারবে না এবং জনগণের ম্যান্ডেট ছাড়া রাষ্ট্র পরিচালনা করতে পারবে না। জনগণের প্রতিনিধিরাই রাষ্ট্র পরিচালনা করবে এবং সাংবিধানিক নিয়ম মেনে সংবিধান সংশোধন করতে পারবে। যারা অসাংবিধানিকভাবে ক্ষমতা দখল করবে, তাদের ক্ষমতা গ্রহণ বেআইনি, অবৈধ ও বাতিল ঘোষিত হবে। এছাড়া, সংবিধান স্থগিত রেখে কিংবা বাতিল করে ক্ষমতা দখল করাও সর্বোচ্চ আদালত অসাংবিধানিক ও অবৈধ ঘোষণা করেছে। এই রায়ের আলোকেই পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭ক সংযোজিত হয়েছে। এই বিধান দেশের জনগণের পবিত্র ইচ্ছার প্রতিফলন সংবিধানের সুরক্ষা দেয়ার লক্ষ্যে ‘সংবিধানের রক্ষাকবচ’ বা ‘constitutional entrenchment’ হিসাবে কাজ করছে।
ষড়যন্ত্রমূলক ও অবৈধভাবে পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিলের মাধ্যমে সংবিধান সুরক্ষার এই বিধান বাতিল করে গণতন্ত্রের ধারা স্থগিত করা হলো। যে কোনো অসাংবিধানিক গোষ্ঠীর সংবিধান লঙ্ঘন ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের পথ সুগম করা হলো।
আওয়ামী লীগ মনে করে, ৭৫ পরবর্তী সময়ে জেনারেল জিয়া যেভাবে দেশের সংবিধান, আর্মি রুলস ও আর্মি আইন লঙ্ঘন করে অবৈধভাবে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল এবং তার বেআইনি শাসন ও অবৈধ রাজনীতিকে বৈধতা দেয়ার জন্য তথাকথিত হ্যাঁ/না ভোট এবং প্রহসনের গণভোট আয়োজন করেছিল, সেই প্রক্রিয়া পুনরায় চালু করার জন্য নতুন করে আবার তথাকথিত রেফারেন্ডাম এর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষ দেখেছে, কীভাবে দেশের সকল জনপ্রতিনিধিকে অসাংবিধানিক ও অবৈধভাবে অপসারণ করা হয়েছে। শুধু অপসারণ করাই হয়নি, অসংখ্য জনপ্রতিনিধি নির্মমতার শিকার হয়েছেন। দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ও ধারাকে স্তব্ধ করার অশুভ উদ্দেশ্যে এক ধ্বংসলীলা চলছে। দেশ ও জাতিকে রক্ষার লক্ষ্যে এই অশুভ শক্তিকে ঐক্যবদ্ধভাবে আমাদের পরাস্ত করতে হবে। ইতিহাসের প্রতিটি ক্রান্তিকালে বাঙালি বিজয়ী হয়েছে। এই অশুভ শক্তির পতন হবেই, ইনশাল্লাহ।
জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।
নির্বাচিত
তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া আসনে ধানের শীষের প্রার্থী রেজাউল করিম
বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া বগুড়া-৬ (বগুড়া পৌরসভার ২১টি ওয়ার্ড ও সদর উপজেলা) আসনে উপনির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম (বাদশা)।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত দলীয় মনোনয়নের চিঠি আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দলের চেয়ারম্যানের গুলশান কার্যালয় থেকে রেজাউল করিমের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এ সময় বগুড়া জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এ কে এম মাহবুবর রহমান, জেলা বিএনপির সহসভাপতি আবদুল বাছেদ এবং জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
বগুড়া জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোশারফ হোসেন বলেন, ‘দলের চেয়ারম্যানের গুলশান কার্যালয়ে বগুড়া-৬ উপনির্বাচনের দলীয় মনোনয়নপত্র আজ সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে রেজাউল করিমের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেওয়া হয়েছে।’
গত মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৯ এপ্রিল; সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। মনোয়নপত্র দাখিলের তারিখ ২ মার্চ, ৫ মার্চ মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই। ৬ মার্চ থেকে শুরু করে আপিল চলবে ১০ মার্চ পর্যন্ত। আপিল নিষ্পত্তি করা হবে ১১ মার্চ, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের তারিখ ১৪ মার্চ ও প্রতীক বরাদ্দ ১৫ মার্চ।
১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারেক রহমান ঢাকা-১৭ এবং বগুড়া-৬ এই দুটি আসনে বিজয়ী হন। শপথ গ্রহণের আগের দিন তিনি বগুড়া–৬ আসন ছেড়ে দেন।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৯১ থেকে বিএনপি বগুড়া-৬ আসনে জয় পেয়েছে। এর মধ্যে ১৯৯৬, ২০০১ এবং ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। ২০১৮ সালে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ আসনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন।
নির্বাচিত
জামায়াত জাতীয় সরকারে অংশ নেবে না, শক্তিশালী বিরোধী দল হবে: তাহের
জামায়াতে ইসলামী কোনো জাতীয় সরকারে অংশ নেবে না, বরং শক্তিশালী বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করবে বলে জানিয়েছেন দলটির নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি বলেন, ‘আগামী দিনগুলোতে আমরা রাষ্ট্র পরিচালনায় সরকার ও বিরোধী দল সমন্বিতভাবেই দেশের জন্য কল্যাণমূলক কাজ করতে পারব বলে আশা করছি।’
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বসুন্ধরায় জামায়াত আমিরের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
মোহাম্মদ তাহের বলেন, ‘নির্বাচন-পরবর্তীতে সরকারের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী তারেক সাহেব সম্ভাব্য প্রধান বিরোধী দলের প্রধান জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে আসছিলেন। একটা কার্টেসি ভিজিট। এটাকে আমরা ওয়েলকাম করি। আমি মনে করি, এই ধরনের নিউ কালচার নিজেদের ভেতরে থাকাটা একটা গুণগত পরিবর্তন, একটি ভালো সূচনা।’
তাহের বলেন, ‘অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আলোচনা হয়েছে। আমরা দীর্ঘদিন বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী একসঙ্গে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। সরকারও গঠন করেছি। আমরা ফ্যাসিবাদের পতন-পরবর্তীতে দুটি দল এবার আলাদাভাবে নির্বাচন করেছি।’
জামায়াতের এ নেতা বলেন, ‘আগামী দিনগুলোতে আমরা রাষ্ট্র পরিচালনায় সরকার ও বিরোধী দল সমন্বিতভাবেই দেশের জন্য কল্যাণমূলক কাজ করতে পারব বলে আশা করছি। আমরা এ ব্যাপারে একমত হয়েছি যে, সকলে মিলে একসঙ্গেই একটা কনস্ট্রাকটিভ ফিউচার আমরা গ্রহণ করতে পারব। একটি নতুন বাংলাদেশ আমরা গঠন করতে পারব। নিজেদের ভেতরে মৌলিক কোনো ঝামেলা হলে আলোচনার ভিত্তিতে যাতে পজিটিভ একটা সমাধান আসতে পারে, সেসব বিষয়ে আমরা আলোচনা করেছি।’
তাহের বলেন, জামায়াতে ইসলামী কোনো জাতীয় সরকারে অংশগ্রহণ করবে না। জামায়াতে ইসলামী এখানে কনস্ট্রাকটিভ শক্তিশালী বিরোধী দল হিসেবে কাজ করবে।
তাহের আরও বলেন, ‘বৈঠকে জামায়াত আমির কয়েকটি প্রায়োরিটি বিষয়ে জোর দিয়ে কথা বলেছেন। প্রথম কথা হচ্ছে, ল অ্যান্ড অর্ডার সিচুয়েশন, মানুষের সিকিউরিটি ইস্যুটা হচ্ছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে যেন সরকার অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে। এরপরে ইকোনমির ব্যাপারে আমরা কথা বলেছি এবং বিশেষ করে জনগণের যে মৌলিক প্রয়োজনগুলো আছে, খাদ্য, বাসস্থান, শিক্ষা এসব বিবেকীয় অগ্রাধিকার পদ্ধতিতে যেন সরকার কাজ করে, সে ব্যাপারে আমরা দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি।’
জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, ‘ইটস আ বিগিনিং। আমি মনে করি যে, একটা মৌলিক কোয়ালিটিটিভ চেঞ্জ যাতে আমরা এ দেশে পেতে পারি, সে বিষয়েও আমরা দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। পজিটিভ যেকোনো বিষয় আছে, আমরা বলেছি, আমরা কো-অপারেট করব এবং জনগণের স্বার্থের বিরুদ্ধে এবং জনগণের কোনো কল্যাণের বিপরীতে যদি সে রকম কোনো ভূমিকা থাকে, আমরা অবশ্যই সে ব্যাপারে প্রতিবাদ এবং ভূমিকা নেওয়ার জন্য প্রস্তুত আছি।’
এর আগে সন্ধ্যায় জামায়াত আমিরের সঙ্গে তাঁর বাসায় সাক্ষাৎ করেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বাসায় বিএনপি চেয়ারম্যানের হাতে ফুলের তোড়া তুলে দিয়ে তাঁকে অভ্যর্থনা জানান শফিকুর রহমান।
নির্বাচিত
ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে সাধারণ মানুষের যাওয়া কি অপরাধ?
ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে সাধারণ মানুষের যাওয়া কি অপরাধ? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আ. ক. ম. জামাল উদ্দিন সহ ৮ জনকে পুলিশ আটক করেছেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করার জন্য। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকাল পৌনে পাঁচটার সময় তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
আটককৃত অন্যদের নাম এখনো জানা যায়নি। আটককৃতদের মধ্যে একজন নারী রয়েছেন। পুলিশ এখন পর্যন্ত আটকের ব্যাপারে বিস্তারিত জানাননি। আজ দুপুরে অধ্যাপক জামাল উদ্দিন তার ফেসবুকে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভগ্ন বাসভবনে গমন করে অশ্রুপাত ও শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন বলে উল্লেখ করেন এবং সেখানে সবাইকে যোগদানের অনুরোধ করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, রোবরার বিকেল পৌনে পাঁচটায় তারা সেখানে জড়ো হলে পুলিশ তাদের হেফাজতে নেন।
রমনা বিভাগের ধানমন্ডি জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) শাহ মোস্তফা তারিকুজ্জামান বলেন, সেখানে কিছু লোকজন তাদের ঘিরে ধরে। পরে আমরা তাদের থানায় নিয়ে আসি। কিছুক্ষণ পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
-
কানাডার খবর4 days agoআসন্ন উপনির্বাচনে এমপিপি প্রার্থী আহসানুল হাফিজ এর প্রার্থিতা ঘোষণা
-
বাংলাদেশের খবর6 days agoসেনাবাহিনীতে রদবদল: নতুন কিউএমজি শাহীনুল, এনডিসিতে ফয়জুর
-
টরন্টোর খবর2 weeks agoটরন্টোতে স্থায়ী শহীদ মিনার স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ
-
নির্বাচিত6 days agoতারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া আসনে ধানের শীষের প্রার্থী রেজাউল করিম
-
নির্বাচিত2 weeks ago
ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে সাধারণ মানুষের যাওয়া কি অপরাধ?
-
আন্তর্জাতিক12 months ago
ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি : ন্যাটো সদস্যরা যথেষ্ট অর্থ না দিলে সুরক্ষা দেবেন না ট্রাম্প
-
বাংলাদেশের খবর2 weeks ago
যমুনাই হবে নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন!
-
বাংলাদেশের খবর3 weeks ago
সবার সহযোগিতা না পেলে সুন্দর নির্বাচন উপহার দিতে পারতাম না: সিইসি
